জরুরী বিজ্ঞপ্তি
সরকারী মিডিয়া তালিকাভুক্ত জাতীয় দৈনিক বাংলার সময় পত্রিকা  Reg: No: DA 6077
শিরোনাম
‘ছাত্রানাং অধ্যয়নং তপঃ’ কবিরহাটে সাংবাদিককে মারধরের প্রতিবাদে মানববন্ধন, সংবাদ সম্মেলনে ব্যক্তিগত বিষয় তোলার নিন্দা আওয়ামী লীগ করেছে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, এখন আরেক দল জুলাই নিয়ে ব্যবসা করছে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ পুলিশের তৎপরতায় লোহাগাড়ায় অপহৃত শিক্ষক উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ শরীয়তপুরের সাবেক এমপি বিএম মোজাম্মেল হককে আরও এক মামলায় গ্রেপ্তার দেখালেন আদালত নাটোরে তিন ফসলি জমির মাটি কাটার অপরাধে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা, ব্যাটারি জব্দ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনুমোদনহীন টাইলস পুটিং ও ক্লিনার কারখানাকে এক লাখ টাকা জরিমানা লোহাগাড়ায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন: আলোচনা সভা ও যুব ঋণ বিতর সীতাকুণ্ড প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বালু উত্তোলন, ১৭ মাস না যেতে ৩ জন খুন সীমান্তে নারী ও শিশুসহ ১২জনকে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ করে  দিয়েছে বিজিবি

ডায়াবেটিস থাকলে যেভাবে রাখবেন রোজা? সেহরি-ইফতারের সঠিক নিয়ম

  • Update Time : Sunday, February 22, 2026

সচেতনতা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ডায়াবেটিস রোগীরাও নিরাপদে রোজা রাখতে পারবেন। রমজান মাসে ডায়াবেটিস রোগীর জন্য রোজা রাখা সম্ভব। তবে তা হতে হবে সচেতনতা ও সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে। নিয়ম মেনে চললে জটিলতা এড়িয়ে সুস্থভাবেই রোজা রাখা সম্ভব।

আর রমজান মাসে তারাবি নামাজ আদায় করলে আলাদা করে ব্যায়ামের প্রয়োজন হয় না। তবে রোজা রেখে অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করা ঠিক নয়। যদি রক্তে শর্করা অস্বাভাবিকভাবে কমে যায় কিংবা শরীর বেশি খারাপ লাগে, তাহলে দেরি না করে রোজা ভেঙে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। নিচে সহজ ভাষায় প্রয়োজনীয় কয়েকটি নির্দেশনা তুলে ধরা হলো—

সেহরি যতটা সম্ভব শেষ সময়ের কাছাকাছি খাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলেও রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ কমে যাওয়ার ঝুঁকি কম থাকে এবং ক্লান্তিও কম লাগে। সে জন্য সুষম ও ধীরে হজম হয় এমন খাবার ডায়াবেটিস রোগীদের বেছে নেওয়া উচিত।

লাল চালের ভাত, লাল আটার রুটি বা ওটসের মতো আঁশসমৃদ্ধ খাবার খান। সঙ্গে মাছ, মাংস বা ডাল এবং প্রচুর শাকসবজি রাখুন। চাইলে এক গ্লাস দুধও খেতে পারেন। এসব খাবার ধীরে হজম হয়। ফলে দীর্ঘ সময় শক্তি জোগায়।

 

যেভাবে ইফতার করবেন—

১. খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করা ভালো। তবে যাদের কিডনির সমস্যা আছে, তারা খেজুর এড়িয়ে চলুন।

২. ভাজাপোড়া ও মিষ্টিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। কারণ বেগুনি, চপ বা অতিরিক্ত মিষ্টিজাতীয় খাবার রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়িয়ে দিতে পারে। এর বদলে চিড়া, মুড়ি, টকদই বা ডাবের পানি বেছে নিতে পারেন।

৩. পর্যাপ্ত পানি পান করুন। ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত কমপক্ষে ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন, যাতে পানিশূন্যতা না হয়।

৪. নিয়মিত সুগার মাপুন। ওষুধ ও চেকআপ করুন। রোজার সময় গ্লুকোমিটার দিয়ে নিয়মিত রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করুন। খুব বেশি বেড়ে গেলে বা কমে গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নিন।

৫.  সবশেষে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। রোজা শুরুর আগে ইনসুলিন কিংবা ওষুধের ডোজ ও সময় পরিবর্তন নিয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন। সাধারণত সকালের ওষুধ ইফতারে এবং রাতের ওষুধ সেহরিতে নেওয়া হয়—তবে এটি ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved ©2000 Banglarshomoy
Design & Develop BY Coder Boss