জরুরী বিজ্ঞপ্তি
সরকারী মিডিয়া তালিকাভুক্ত জাতীয় দৈনিক বাংলার সময় পত্রিকা  Reg: No: DA 6077
শিরোনাম
‘ছাত্রানাং অধ্যয়নং তপঃ’ কবিরহাটে সাংবাদিককে মারধরের প্রতিবাদে মানববন্ধন, সংবাদ সম্মেলনে ব্যক্তিগত বিষয় তোলার নিন্দা আওয়ামী লীগ করেছে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে, এখন আরেক দল জুলাই নিয়ে ব্যবসা করছে: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ পুলিশের তৎপরতায় লোহাগাড়ায় অপহৃত শিক্ষক উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ শরীয়তপুরের সাবেক এমপি বিএম মোজাম্মেল হককে আরও এক মামলায় গ্রেপ্তার দেখালেন আদালত নাটোরে তিন ফসলি জমির মাটি কাটার অপরাধে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা, ব্যাটারি জব্দ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনুমোদনহীন টাইলস পুটিং ও ক্লিনার কারখানাকে এক লাখ টাকা জরিমানা লোহাগাড়ায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন: আলোচনা সভা ও যুব ঋণ বিতর সীতাকুণ্ড প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বালু উত্তোলন, ১৭ মাস না যেতে ৩ জন খুন সীমান্তে নারী ও শিশুসহ ১২জনকে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ করে  দিয়েছে বিজিবি

ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত কতটুকু পানি পান করা উচিত?

  • Update Time : Tuesday, March 4, 2025

চলছে পবিত্র রমজান মাস। এ মাসে দীর্ঘসময় না খেয়ে থাকতে হয় বলে পানিশূন্যতার আশঙ্কা থেকে যায়। আবার আবহাওয়া সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তপ্ত হয়ে উঠছে। এ অবস্থায় দিনে যেন পানি তৃষ্ণা না পায় বা পানিশূন্যতার সমস্যা দেখা না দেয়, এজন্য সাহরি বা ইফতারে বেশি পানি পান করা হয়।

 

স্বাভাবিকভাবেই সুস্থ থাকার জন্য প্রতিটি মানুষের ক্ষেত্রে পানির প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। কিন্তু রমজান মাসে কীভাবে বা কতটুকু পানি পান করতে হবে, সেটি অনেকেরই অজানা। এবার তাহলে এ ব্যাপারে জেনে নেওয়া যাক।

একজন মানুষের ইফতার থেকে সাহরি পর্যন্ত অন্তত দুই লিটার পরিমাণ বিশুদ্ধ, নিরাপদ পানি পান করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। ইফতারের পর থেকে সাহরির আগ পর্যন্ত ৩০/৪০ মিনিট পরপর এক থেকে দেড় লিটার পরিমাণ পানি পান করা উচিত। তারাবিহ নামাজের সময় বোতলে পানি রেখে নামাজের আগে ও পরে পান করে মোট পানি পানের পরিমাণ পূর্ণ করা সম্ভব।

রোজা রাখলে শরীর হাইড্রেটেড রাখার জন্য, ত্বক বিবর্ণ বা মলিন না হয়, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা না হওয়া এবং গ্যাসের সমস্যা যেন সৃষ্টি না হয়- এজন্য যথেষ্ট পানি পান নিশ্চিত করতে হবে। পানি ছাড়া তরল জাতীয় অন্যান্য পানীয় পান করতে পারেন। এসবের মধ্যে ডাবের পানি, লেবুর শরবত ও মৌসুমি বিভিন্ন ফলের রস পানে প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাওয়া যায়।

কেউ চাইলে দুধও পান করতে পারেন। এতে প্রোটিন ও ফ্যাট রয়েছে। একইসঙ্গে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়ামসহ অন্যান্য খনিজ লবণের উৎস হিসেবে কাজ করে দুধ। পাশাপাশি সচেতনতার জন্য কোল্ড বা এনার্জি ড্রিংকস, রঙিন পানীয় এবং চা ও কফির মতো পানীয় এড়িয়ে চলা হবে ভালো কাজ। এসব পানীয় পানি শূন্যতার ঘাটতি মেটায় না, বরং শরীরের আরও ক্ষতি করে।

শিশু বা অল্প বয়সী ও বয়স্ক ব্যক্তিরা রোজা রাখলে তাদের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। ইফতার ও সেহরিতে যথেষ্ট পানি পানের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে তাদের। এছাড়া অতিরিক্ত গরমে বা রান্নাঘরে, শারীরিক পরিশ্রমের ক্ষেত্রে প্রতি এক ঘণ্টা থেকে দুই ঘণ্টা পরপর ১০-১৫ মিনিটের জন্য ছায়ায় বিশ্রাম নেয়া উচিত। সেহরিতে কিছু না খেয়ে রোজা রাখার অভ্যাস থাকলে সেহরিতে অন্তত পানি বা তরলজাতীয় কিছু অবশ্যই খাওয়া উচিত। এতে পানিশূন্যতার আশঙ্কা থাকবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved ©2000 Banglarshomoy
Design & Develop BY Coder Boss